হত্যা নাকি আত্মহত্যা  তদন্ত করছে পুলিশ

হত্যা নাকি আত্মহত্যা তদন্ত করছে পুলিশ


জাহিদ হাসান মিশু :
 
হত্যা নাকি আত্মহত্যা তদন্ত করছে পুলিশ, ঘটনাটি ঘটেছে মিরপুর মডেল থানাধীন কল্যাণপুর ৩ নং পোড়া বস্তিতে ০৯/০৮/২৩ ইং দিবাগত রাত ১:৩০ মিনিটে সাজেদা নামের একটি মেয়ের  লাশ উদ্ধার করেন মিরপুর-মডেল থানার পুলিশ কর্মকর্তাগণ। বিশেষ সূত্রে জানা যায়, যে মেয়েটির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ, মেয়েটির নাম সাজেদা/১৭,ইমন নামের একটি ছেলের সাথে মেয়ে সাজেদার প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়, সেখান থেকেই তারা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ১১/০৭/২৩ ইং বাসা থেকে পালিয়ে যায় কিশোরগঞ্জ জেলায়, পালিয়ে যাওয়ার কয়েকদিন পরে তারা আবার ঢাকায় ফিরে আসে, এসে কল্যাণপুর ৩নং পোড়া বস্তিতে স্বামী স্ত্রীর পরিচয়ে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন,ঠিক তার কয়েকদিন যেতে না যেতেই সাজেদার মৃত্যুর সংবাদ শুনতে পান মৃত সাজেদার মা।ইমনের কাছে মৃতদেহ সাজেদার বিষয়ে জানতে চাইলে ইমন বলেন, আমি সাজেদাকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করি কিশোরগঞ্জ জেলায়, বিয়ে করে এসে ঢাকায় স্বামী স্ত্রীর পরিচয়ে একটি ঘর ভাড়া নেই এবং আমি জানিনা আমার স্ত্রী সাজেদা কেন ১০/০৮/২৩ইং নিজ ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করলেন,সে বিষয় টি আমি চিন্তিত। অপরদিকে মৃত সাজেদার মা সাংবাদিকদের বলেন আমার মেয়েকে ইমন নামের বখাটে ছেলে ১১/০৭/২৩ইং বাসার সামনে থেকে তুলে নিয়ে যায়, অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও তাকে খুঁজে  পাওয়া যায়না,তার দু তিন দিন যেতে না যেতেই শুনতে পাই ইমন নামের বখাটে ছেলে আমার মেয়েকে বিয়ে করে নিয়েছে এবং তার কয়েকদিন পরে আমি আমার মেয়ে সাজেদার মৃত্যুর সংবাদ পাই,মৃত সাজেদার মা দাবি জানান আমার মেয়ে সাজেদাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে, আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই, আমি আমার মেয়ে হত্যাকারীর ফাঁশি চাই। অপরদিকে এলাকাবাসীর মধ্যে থেকে বেশ কয়েকজন বলেন মৃত সাজেদা ছিল অত্যন্ত নম্র  ও ভদ্র প্রকৃতির মেয়ে, সে কখনও আত্মহত্যার মত এমন পাপের কাজটি করতে পারেনা,সাজেদার মৃত্যুর পেছনে অবশ্যই কোন রহস্য  লুকিয়ে আছে, আমরা আইনের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এর মৃত্যুর সঠিক কারন বের করে হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা নিশ্চিত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তির কামনা করি।অন্যদিকে স্বামী পরিচয় দেয়া কারী ইমনের কাছ থেকে সাজেদা এবং তার বিয়ের ডকুমেন্টস দেখতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে বিভিন্ন তালবাহানা করেন ও বিয়ের ডকুমেন্টস দিতে ব্যর্থ হন।মৃত সাজেদাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মাঝে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় সেই উত্তেজনাকে করতে মিরপুর মডেল থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়,সাজেদার মৃতদেহ উদ্ধারকারী মিরপুর মডেল থানার পুলিশ, গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন উক্ত মৃতদেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত হত্যা নাকি আত্মহত্যা সঠিক নির্ণয় করা যাচ্ছে না সুতরাং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট  আসা মাএই বিচারের কার্যক্রম শুরু করা হবে।